1. admin@banglarajkal.com : admin :
  2. babardhaka@gmail.com : babar dhaka : babar dhaka
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের দুর্দান্ত সাফল্য ‘লাইফ টু ওয়ে গ্লোবাল’ এবং ‘মডার্ন ক্যানসার হাসপাতাল গুয়াংজু’র যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় ক্যানসার রোগীদের পরামর্শ যেকারণে কিছু ব্যক্তির জন্য ওজন কমানো বেশি কঠিন সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু ইরানের দুই রাডার কেন্দ্রে হামলা চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের তপুর জোড়া গোলে সান ম্যারিনোকে হারালো বাংলাদেশ কৃষিতে সংকটের ছায়া, বাজেটে বাড়বে কি কৃষকের প্রাপ্তি? অফারে স্মার্টফোনের বিক্রি বাড়লেও দাম নিয়ে অসন্তোষ  বর্ষার আগেই মশার উপদ্রবে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু ইস্তাম্বুলে আজ নির্ধারিত হবে ইরানের বিশ্বকাপ ভাগ্য!

বর্ষার আগেই মশার উপদ্রবে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

বাংলার আজকাল ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৪৭

বর্ষাকাল শুরুর আগেই ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। মশার উপদ্রবে এখনই অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। এ পরিস্থিতির জন্য নগরবাসীর অসচেতনতাকে দায়ী করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অন্যদিকে আক্রান্তদের বাসাবাড়িতে স্বেচ্ছাসেবক পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর কার্যক্রম শুরু করতে চায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

সরেজমিনে রাজধানীর কাঁটাবন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কের পাশেই যেন মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে, আর সেখান থেকেই জন্ম নেয় মশা। তবে এসব বিষয়ে এখনো কার্যকর নজরদারি নেই সিটি করপোরেশনের।

স্থানীয়রা জানান, মশার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। মশার কামড়ে নানা ধরনের রোগও হচ্ছে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের নিয়মিত কীটনাশক ছিটানো বা মশা নিধন কার্যক্রম খুব একটা দেখা যায় না।

গত কয়েক বছরের হিসাব বলছে, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও একই সতর্কবার্তা দিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাততলা-আটতলা এমনকি নয়তলা ভবনেও মশা উঠে যাচ্ছে। আগে নিয়মিত ফগিং ও স্প্রে করা হলেও এখন সেই কার্যক্রম চোখে পড়ে না।

আরও পড়ুন: ঢাকার দক্ষিণে ৬০ শতাংশ বাড়িতে মিলেছে ডেঙ্গু মশার লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে শুরুতেই আলাদা রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণের চেইন ভেঙে দেয়া যায়। ডিএনসিসি ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রিফাত আল ইমন বলেন, রোগীকে অবশ্যই মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে মশা তাকে না কামড়ায় এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও আক্রান্ত না হয়। এভাবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই কমানো সম্ভব।

অন্যদিকে পুরান ঢাকাসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে তাদের মূল জোর জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিশাত পারভীন বলেন, বাড়ির আশপাশে ওষুধ দেয়া হয়, তবে ঘরের ভেতরে ওষুধ প্রয়োগ করা হয় না। অনেক সময় ঘরের ভেতরে ফুলদানি বা পানিভর্তি পাত্রেও লার্ভা জন্ম নিতে পারে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আক্রান্তদের বাসাবাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহের পরই মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, বৃষ্টি হলে পানি জমবে এবং সেখানেই মশা জন্ম নেবে। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে যদি প্রজননস্থলগুলো চিহ্নিত করে সরানো যায়, তাহলে অন্তত ৫০ শতাংশ লার্ভা উৎপাদনের জায়গা কমানো সম্ভব।

চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু রোগী সুস্থ করা গেলেও, শুধু চিকিৎসা দিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পাড়া-মহল্লায় মশার প্রজনন ও বিস্তার বন্ধ না করা গেলে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা কখনোই কমবে না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © বাংলার আজকাল
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park