1. admin@banglarajkal.com : admin :
  2. babardhaka@gmail.com : babar dhaka : babar dhaka
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বর-তীব্র শরীর ব্যথাঃ নতুন কোনো ভাইরাস ছড়াচ্ছে কি? DU MPA Alumni Association forms new executive committee মৃত্যুর রাতে বান্ধবী নিয়ে দেড় ঘণ্টা বারে ছিলেন তাহসিফ এইচএসসির ফলে হতাশার চিত্র, ইংরেজি-আইসিটিতেই ফেল ৩ লাখ ৮২ হাজার ঢাবি এমপিএ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের দুর্দান্ত সাফল্য ‘লাইফ টু ওয়ে গ্লোবাল’ এবং ‘মডার্ন ক্যানসার হাসপাতাল গুয়াংজু’র যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় ক্যানসার রোগীদের পরামর্শ যেকারণে কিছু ব্যক্তির জন্য ওজন কমানো বেশি কঠিন সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু ইরানের দুই রাডার কেন্দ্রে হামলা চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

প্রধান শিক্ষক-ঠিকাদার সমঝোতা, ভুতুরে বিলে উধাও সাড়ে ৫ লাখ টাকা

খোকন মিয়া, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা)
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মালামাল ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম অভিযোগ ঘটেছে। ঠিকাদার আর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সমঝোতায় মালামাল ক্রয় না করে ভুতুরে বিলে সাড়ে ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন ঠিকাদার।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরণের উপকরণ ক্রয়েল জন্য পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের সাইন্স ল্যাবের নানা রাসায়নিক, বইপুস্তক, গবেষণা সরঞ্জামাদি, শিক্ষা উপরকণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার কথা ছিল। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজ পায় নেত্রকোনার মেসার্স ইউনিপ্যাক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী আল আমিন নামে এক ব্যক্তি।

ডিসেম্বরে শেষে মালামাল বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। এদিকে উপকরণ বুঝে নিতে নিয়মানুযায়ী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সমন্বয়ে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সমঝোতা করে উপকরণ না করেই ভুয়া বিল ভাউচার জমা দেয় ঠিকাদার। আর ক্রয় সংক্রান্ত উপকমিটির সদস্যদের কাছ থেকে উপকরণ বুঝে পাওয়ার স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

পরে টাকার বিনিময়ে ঠিকাদারকে উপকরণ সরবারহের প্রত্যায়ন দেন প্রধান শিক্ষক। প্রত্যয়ন জমা দিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিল তুলে নেন ঠিকাদার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, নিয়মানুযায়ী বিদ্যালয়ের ল্যাবের উপকরণ, বই পুস্তকসহ নানা উপকরণ ঠিকাদার সরবরাহ করবে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ঠিকাদারের সঙ্গে সমঝোতা করে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে টাকা তুলে ফেলেছেন। এখনো পর্যন্ত একটি উপকরণও কেনা হয়নি।

ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটিতেও প্রধান শিক্ষকের আস্থাভাজনদের রাখা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এখন প্রধান শিক্ষক বলছেন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কিছু টাকা ব্যয় করেছেন। মূলত এসব কাজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলেই ব্যয় করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ক্রয় সংক্রান্ত উপকমিটির সদস্য আজিজুল হক বলেন, কমিটির সদস্য হলেও এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কোন মালামালও বুঝে পাইনি। প্রধান শিক্ষকের কথা মতো স্বাক্ষর করেছি মাত্র। এছাড়া আর কিছু জানি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার আল আমিন বলেন, যথাযথ নিয়মে কমিটির সামনে সকল মালামাল বুঝিয়ে দিয়ে প্রত্যায়ন নিয়ে টাকা উত্তোলন করেছি। নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, উপকরণ ক্রয়ের দরপত্র হলেও ঠিকাদার কোনো উপকরণ দেয়নি। আমরা নগদ টাকা তুলে নিয়েছি। খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কিছু টাকা খরচ করা হয়েছে। কোন উপকরণ এখনো কেনা হয়নি। পরে দরকার হলে উপকরণ কেনা হবে। বিষয়টি অনিয়ম কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার জানা নেই।

বিষয়টি অবহিত করলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা.নাসির উদ্দীন বলেন, ‘দরপত্র অনুযায়ী ঠিকাদার বিদ্যালয়ে মালামাল সরবরাহ করবেন। নগদ টাকা  উত্তোলন নিয়মবহির্ভূত। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © বাংলার আজকাল
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park